কৃষি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ-বাগেরহাট সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পেন সহায়তায় মুকসুদপুর উপজেলার কদমপুর গ্রামের ৭ একর জমিতে এ পেয়ারা বাগান গড়ে তুলেছেন সামাউল। বাগান করতে তার ব্যয় হয়েছে ২ লাখ টাকা। প্রথম বছরেই তিনি বিক্রি করেছেন ৪ লাখ টাকার পেয়ারা। তার লাভ হয়েছে ২ লাখ টাকা। প্রতিদিনই এ বাগান থেকে তিনি পেয়ারা বাজারজাত করছেন। লাভজনক পেয়রা চাষ পরিদর্শনে তার বাগানে প্রতিদিনই কৃষকরা আসছেন। তারাও পেয়ারা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
গোপালগঞ্জ, মুকসুদপুর, কাশিয়ানী টেকেরহাট, ফরিদপুরে আলফাডাঙ্গা, নগরকান্দার পাইকাররা তার বাগান থেকে পেয়ারা কিনে নিয়ে বাজরে বিক্রি করছেন।
মুকসুদপুর উপজেলার কদমপুর গ্রামের কৃষক ওবায়দুর রহমান বলেন, সামাউল এলাকায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার পেয়ারা বাগান দেখে লাভজনক পেয়ারা চাষে কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। সারা বছর বাজারে এ পেয়ারার দাম ভালো থাকছে।
গোপালগঞ্জের পেয়ারা বিক্রেতা কামরুল ইসলাম বলেন, সামউলের করা চাষের পেয়ারাগুলো খেতে সুস্বাদু, দেখতেও সুন্দর। তাই ক্রেতারা এ পেয়ারা বেশি দাম দিয়ে কিনে নিয়ে যায়।
পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ-বাগেরহাট সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এইচ.এম খায়রুল বসার বলেন, ‘সামাউল এ পেয়ারা চাষ করে প্রথম বছরেই লাভবান হয়েছেন। বাগানে সারা বছরই এ পেয়ারা উৎপাদিত হয়। এতে তার প্রতিদিনই আয়ের সুযোগ থাকে। সামউলের পেয়রা বাগান দেখে অনেকেই পেয়ারা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আমরা আমাদের প্রকল্প থেকে আগ্রহী কৃষকদেরও সহায়তা করবো।’

0 Comments