কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস সমুহ
ইনপুট ডিভাইসঃ যে সমস্ত হার্ডওয়্যারের সাহায্যে কম্পিউটারে কোনো তথ্য প্রেরন করা হয় তাকে ইনপুট ডিভাইস বলে।যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার মেশিন, ডিজিটাল ক্যামেরা,ডকুমেন্ট রিডার, লাইট পেন ইত্যাদি।
১. কী-বোর্ডঃ- ইনপুট ডিভাইসের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস হচ্ছে কীবোর্ড। ইহা ছাড়া কম্পিউটার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। কী-বোর্ড প্রধানত দুই প্রকার। যেমন-
১। স্টান্ডার কিবোর্ড( ইহাতে চারটি কি থাকে)
২। এনহান্সড কিবোর্ড( ইহাতে ১০১/১০২/১০৪ টি কি হয়ে থাকে)
★ কিবোর্ড এরপোট তিন রকম হয়ে থাকে। যেমন
1. Ps-2 Port,
2.সিরিয়াল পোর্ট,
3. ইউএসবি পোর্ট(USB Port).
মাউসঃ কম্পিউটারে দ্রুত নির্দেশের জন্য আরেকটি অন্যতম ইনপুট ডিভাইস হচ্ছে মাউস। কিবোর্ডের অনেক কাজ এই মাউস এর মাধ্যমে দ্রুত করা সম্ভব হয়। এটির নিচের দিকে একটি ছোট বল থাকে, যা ইচ্ছে মত যেদিকে ইচ্ছা সেদিকে ঘুরানো যায়। মাউস মনিটরে একটি পয়েন্টার ভেসে ওঠে যার দ্বারা ইচ্ছেমতো কার্শর কে ফিজিক্যালি মুভ করানো যায় এবং যেকোন মেনু বাছাই দ্রুত করা সম্ভব।
মাউস প্রধানত দুই প্রকার। যেমন -
১.মেকানিক্যাল মাউস
২.অপটিক্যাল মাউস
স্ক্যানারঃ এই ডিভাইসের মাধ্যমে যেকোনো ডকুমেন্টকে খুব দ্রুত ইমেজে কনভার্ট করে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে সেভ করে রাখা হয়।
ডিজিটাল ক্যামেরাঃ এটা নরমাল ক্যামেরার মত ছবি তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে এ ধরনের ক্যামেরায় কোন ফিল্মের প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র ব্যাটারি দ্বারা চালানো হয়। ভালো মানের ক্যামেরা গুলোতে মেমোরি কার্ড এবং এলসিডি মনিটর ব্যবহৃত হয় এই ক্যামেরার মাধ্যমে অসংখ্য ছবি তোলা সম্ভব এবং ছবিগুলো মেমোরি কার্ডে জমা হয়। প্রয়োজনে এলসিডি মনিটরের মাধ্যমে ছবিগুলো দেখে বাছাই করা যায় এবং মুছে আবার তোলা সম্ভব হয়। এই ক্যামেরা গুলোর সাথে একটি ইউএসবি ক্যাবল থাকে যার মাধ্যমে দ্রুত কম্পিউটারের ছবি গুলো সংরক্ষন করা হয়।


0 Comments